ঠাকুরগাঁও রোড যুব সংসদ সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বেচ্ছা সেবা মূলক সংগঠন।
ঠাকুরগাঁও রোড যুব সংসদ সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বেচ্ছা সেবা মূলক সংগঠন।
ঠাকুরগাঁও সদর প্রতিনিধি
মো আবুল হাসান
ঠাকুরগাঁও রোড যুব সংসদ সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বেচ্ছা সেবা মূলক সংগঠন। যুব সংসদ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ০১/০৮/১৯৭৮ খ্রি: প্রায় ৪১ বছর ধরে সমাজের অনেক সেবামূলক কাজ করে আসছে। বর্তমানে যুব সংসদ উওর জনপদের শ্রেষ্ঠ সংগঠন গুলোর একটি। যুব সংসদ সম্বন্ধে লেখার একটি উদ্দ্যেশ্য রয়েছে। আজকাল গ্রামে গঞ্জে পাড়া মহল্লায় রাস্তার ধারে যেখানে সেখোনে অনেক সংগঠন দেখতে পায় এসব সংগঠন/ক্লাব/প্রতিষ্ঠান গুলোকে নিয়ে মানুষের বিরক্ত প্রকাশ করতে দেখা যায়। সমাজের সেবা মূলক কাজের থেকে অসুবিধায় বেশি হয়। এসব ব্যাঙ এর ছাতার মত গড়ে উঠা সংগঠনগুলো নিয়ে মানুষের অনেক আপত্তি আছে কিন্তু যুব সংসদ এর ৪১বছর এত দীর্ঘ পথ চলায় মানুষ যুব সংসদ নিয়ে অহংকার ও গর্ব করে। যুব সংসদ তার দীর্ঘ পথ চলায় সমাজের অনেক সেবা মূলক কাজ করে আসছে যা যুব সংসদের কর্তৃপক্ষ কখনোই আলোচনায় নিয়ে আসেনি। কারন তারা স্বেচ্ছায় সেবামূলক কাজটা করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করেছেন।নিরবে শুধু সুস্থ্য সমাজ ও সুস্থ মন গড়তেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এজন্যই যুব সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলার প্রত্যেকটি মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পেরেছে।ইতি মধ্য যুব সংসদকে ই এস ডি ও সহ অনেকে সেবা মূলক কাজে অবদান রাকার জন্য সন্মাননা প্রদান করেছে। এই যুব সংসদ প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দুটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। খেলাধুলা ও লেখাপড়া। যেহেতু আমি একজন যুব সংসদের সদস্য তাই অনেক কাজের সাথে থাকার সুযোগ আমার হয়েছে। এই জন্য আমি খুব গর্ববোধ করি। যুব সংসদ খেলাধুলাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। যুব সংসদ প্রতি বছর নিজের উদ্যোগে নিজস্ব মাঠে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, ক্যারাম, দাবা ইত্যাদি খেলা ধুলার আয়োজন করে থাকে। যা একটি সুস্থ সমাজ গড়তে ও লেখাপড়ায় ছেলে মেয়েদের সুস্থ্য মানসিকতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। আমাদের সমাজের গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের অর্থের অভাবে ঝড়ে পড়তে দেখা যায়। কোন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী যেন অর্থের অভাবে ঝড়ে না পড়ে তার জন্য যুব সংসদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। যুব সংসদ প্রতি বছর ঠাকুরগাঁও রোড এলাকার আশে পাশে প্রত্যেকটি এলাকার কোন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী যেন অর্থের আভাবে ঝড়ে না পড়ে তার জন্য সচেতনতা মূলক প্রচারনা ও অর্থ সহযোগিতা করে থাকে। শুধু তাই নই গর্ভবতি মায়েদের চিকিৎসার সুবিদার্থে যুব সংসদ রুমে প্রতি সপ্তাহে কমিউনিটি ক্রিনিক এর ব্যবস্থা করেছে।গর্ভবতি মহিলারা বিনা পয়সায় সেবা গ্রহন করে থাকেন। এই কঠিন কাজটি যুবসংসদ টানা ৪১বছর ধরে শৃঙ্খলার সাথে করে আসছে। আমরা জানি যে কোন কিছু তৈরি করা যেমন কঠিন। তার থেকেও কঠিন তা ধরে রাখা। কিন্তু যুব সংসদ এত দীর্ঘ বছর শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার সাথে সমাজ সেবা মূলক কাজ করে আসছে তা অবাক করা একটা বিষয়।
তাই তো মানুষের মনে স্থান করে নিতে পড়েছে যুব সংসদ। যুব সংসদ শুধু লেখা পড়া ও খেলাধুলায় সিমাবদ্ধ নয় দীর্ঘ ৪১বছর ধরে পালন করে আসছে ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ই ডিসেম্বর সহ সকল জাতীয় দিবস সমূহ। প্রতি সপ্তাহে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা যুব সংসদের নিজস্ব লাইব্রেরী থেকে বই নিয়ে যায় আবার পড়া শেষে দিয়েও যায়।বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শাখা অফিস হিসেবে স্কুলের ছাএ ছাএিদের বই পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এই কাজটি দীর্ঘদিন ধরে যুব সংসদ করে আসছে। আপনারা জানেন একটি সুস্থ্য ও সুন্দ সমাজ গড়তে হলে সমাজের সুন্দর ভাবে কথা বলতে হলে, সুন্দর ভাবে চলতে হলে সুন্দর সুস্থ একটি পরিবেশের প্রয়োজন। সেই পরিবেশ যেন বজায় থাকে সেই চেষ্টায় যুব সংসদ সব সময় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আপনারা জানেন যে কোন সংগঠন চালাতে হলে একটি নিয়মনীতির প্রয়োজন তাই যুব-সংসদের নিজস্ব একটি গঠনতন্ত্র রয়েছে। কিভাবে যুব সংসদ পরিচালিত হবে তা গঠন তন্ত্রে দেওয়া আছে। আমি যুব সংসদের একজন সাধারণ সদস্য হওয়ার সুবাদে দুই দুই বার যুব সংসদের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্রীড়া সম্পাদক হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। যুব সংসদে সুশৃঙ্খল ও সুন্দর ভাবে অত্যন্ত আনন্দ উৎসবে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কমিটি গঠিত হয়। যা দেখে আমরা শিক্ষা লাভ করতে পারি। একটি স্বেচ্ছা সমাজ সেবা মূলক সংগঠনে কিভাবে সুন্দর সু-শৃঙ্খলভাবে সকল কাজকর্ম পরিচালিত হয় যুব সংসদ তার জন্য উদাহরন হয়ে থাকবে। আমি যুব সংসদের একজন সাধারণ সদস্য হওয়ায় অনেক গর্ববোধ করি। এবং আগামি দিনগুলো যেন যুব সংসদ সুন্দর ও সুষ্ঠ ভাবে এইভাবেই আমরা সবাই মিলে পরিচালিত করতে পারি এই কামনায় করি।
আমি আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই যুবসংসদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণকে যাদের অকান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে যুবসংসদ নামের এই ফসলটি আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত এবং সমাজ সেবা মূলক কাজগুলো যুব সংসদের মধ্যদিয়ে আমরা করতে পারি। আমি যুব সংসদের বর্তমান সম্মানিত কার্যনির্বাহি পরিষদ ও সম্মানিত সাধারণ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যেভাবে আপনারা যুব সংসদ কে মানুষের মঙ্গলে নিয়োজিত রেখেছেন আর বেশিদিন নয় এই যুব সংসদ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই উত্তর বঙ্গে পেরিয়ে দেশের শ্রেষ্ঠ সংগঠনগুলোর কাতারে নাম লেখাবে। ইনশাল্লাহ্। যুব সংসদ নিয়ে আরও অনেক কিছু লিখার ছিল আগামিতে আরও লিখবো আজকের লিখায় যদি কোন ভুলত্রুটি থেকে থাকে তাহলে ক্ষমা করবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
লেখক, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক
মোঃ আব্দুল ওয়াফু তপু
ঠাকুরগাঁও রোড, ঠাকুরগাঁও।
ঠাকুরগাঁও সদর প্রতিনিধি
মো আবুল হাসান
ঠাকুরগাঁও রোড যুব সংসদ সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বেচ্ছা সেবা মূলক সংগঠন। যুব সংসদ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ০১/০৮/১৯৭৮ খ্রি: প্রায় ৪১ বছর ধরে সমাজের অনেক সেবামূলক কাজ করে আসছে। বর্তমানে যুব সংসদ উওর জনপদের শ্রেষ্ঠ সংগঠন গুলোর একটি। যুব সংসদ সম্বন্ধে লেখার একটি উদ্দ্যেশ্য রয়েছে। আজকাল গ্রামে গঞ্জে পাড়া মহল্লায় রাস্তার ধারে যেখানে সেখোনে অনেক সংগঠন দেখতে পায় এসব সংগঠন/ক্লাব/প্রতিষ্ঠান গুলোকে নিয়ে মানুষের বিরক্ত প্রকাশ করতে দেখা যায়। সমাজের সেবা মূলক কাজের থেকে অসুবিধায় বেশি হয়। এসব ব্যাঙ এর ছাতার মত গড়ে উঠা সংগঠনগুলো নিয়ে মানুষের অনেক আপত্তি আছে কিন্তু যুব সংসদ এর ৪১বছর এত দীর্ঘ পথ চলায় মানুষ যুব সংসদ নিয়ে অহংকার ও গর্ব করে। যুব সংসদ তার দীর্ঘ পথ চলায় সমাজের অনেক সেবা মূলক কাজ করে আসছে যা যুব সংসদের কর্তৃপক্ষ কখনোই আলোচনায় নিয়ে আসেনি। কারন তারা স্বেচ্ছায় সেবামূলক কাজটা করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করেছেন।নিরবে শুধু সুস্থ্য সমাজ ও সুস্থ মন গড়তেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এজন্যই যুব সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলার প্রত্যেকটি মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পেরেছে।ইতি মধ্য যুব সংসদকে ই এস ডি ও সহ অনেকে সেবা মূলক কাজে অবদান রাকার জন্য সন্মাননা প্রদান করেছে। এই যুব সংসদ প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দুটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। খেলাধুলা ও লেখাপড়া। যেহেতু আমি একজন যুব সংসদের সদস্য তাই অনেক কাজের সাথে থাকার সুযোগ আমার হয়েছে। এই জন্য আমি খুব গর্ববোধ করি। যুব সংসদ খেলাধুলাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। যুব সংসদ প্রতি বছর নিজের উদ্যোগে নিজস্ব মাঠে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, ক্যারাম, দাবা ইত্যাদি খেলা ধুলার আয়োজন করে থাকে। যা একটি সুস্থ সমাজ গড়তে ও লেখাপড়ায় ছেলে মেয়েদের সুস্থ্য মানসিকতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। আমাদের সমাজের গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের অর্থের অভাবে ঝড়ে পড়তে দেখা যায়। কোন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী যেন অর্থের অভাবে ঝড়ে না পড়ে তার জন্য যুব সংসদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। যুব সংসদ প্রতি বছর ঠাকুরগাঁও রোড এলাকার আশে পাশে প্রত্যেকটি এলাকার কোন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী যেন অর্থের আভাবে ঝড়ে না পড়ে তার জন্য সচেতনতা মূলক প্রচারনা ও অর্থ সহযোগিতা করে থাকে। শুধু তাই নই গর্ভবতি মায়েদের চিকিৎসার সুবিদার্থে যুব সংসদ রুমে প্রতি সপ্তাহে কমিউনিটি ক্রিনিক এর ব্যবস্থা করেছে।গর্ভবতি মহিলারা বিনা পয়সায় সেবা গ্রহন করে থাকেন। এই কঠিন কাজটি যুবসংসদ টানা ৪১বছর ধরে শৃঙ্খলার সাথে করে আসছে। আমরা জানি যে কোন কিছু তৈরি করা যেমন কঠিন। তার থেকেও কঠিন তা ধরে রাখা। কিন্তু যুব সংসদ এত দীর্ঘ বছর শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার সাথে সমাজ সেবা মূলক কাজ করে আসছে তা অবাক করা একটা বিষয়।
তাই তো মানুষের মনে স্থান করে নিতে পড়েছে যুব সংসদ। যুব সংসদ শুধু লেখা পড়া ও খেলাধুলায় সিমাবদ্ধ নয় দীর্ঘ ৪১বছর ধরে পালন করে আসছে ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ই ডিসেম্বর সহ সকল জাতীয় দিবস সমূহ। প্রতি সপ্তাহে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা যুব সংসদের নিজস্ব লাইব্রেরী থেকে বই নিয়ে যায় আবার পড়া শেষে দিয়েও যায়।বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শাখা অফিস হিসেবে স্কুলের ছাএ ছাএিদের বই পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এই কাজটি দীর্ঘদিন ধরে যুব সংসদ করে আসছে। আপনারা জানেন একটি সুস্থ্য ও সুন্দ সমাজ গড়তে হলে সমাজের সুন্দর ভাবে কথা বলতে হলে, সুন্দর ভাবে চলতে হলে সুন্দর সুস্থ একটি পরিবেশের প্রয়োজন। সেই পরিবেশ যেন বজায় থাকে সেই চেষ্টায় যুব সংসদ সব সময় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আপনারা জানেন যে কোন সংগঠন চালাতে হলে একটি নিয়মনীতির প্রয়োজন তাই যুব-সংসদের নিজস্ব একটি গঠনতন্ত্র রয়েছে। কিভাবে যুব সংসদ পরিচালিত হবে তা গঠন তন্ত্রে দেওয়া আছে। আমি যুব সংসদের একজন সাধারণ সদস্য হওয়ার সুবাদে দুই দুই বার যুব সংসদের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্রীড়া সম্পাদক হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। যুব সংসদে সুশৃঙ্খল ও সুন্দর ভাবে অত্যন্ত আনন্দ উৎসবে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কমিটি গঠিত হয়। যা দেখে আমরা শিক্ষা লাভ করতে পারি। একটি স্বেচ্ছা সমাজ সেবা মূলক সংগঠনে কিভাবে সুন্দর সু-শৃঙ্খলভাবে সকল কাজকর্ম পরিচালিত হয় যুব সংসদ তার জন্য উদাহরন হয়ে থাকবে। আমি যুব সংসদের একজন সাধারণ সদস্য হওয়ায় অনেক গর্ববোধ করি। এবং আগামি দিনগুলো যেন যুব সংসদ সুন্দর ও সুষ্ঠ ভাবে এইভাবেই আমরা সবাই মিলে পরিচালিত করতে পারি এই কামনায় করি।
আমি আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই যুবসংসদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণকে যাদের অকান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে যুবসংসদ নামের এই ফসলটি আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত এবং সমাজ সেবা মূলক কাজগুলো যুব সংসদের মধ্যদিয়ে আমরা করতে পারি। আমি যুব সংসদের বর্তমান সম্মানিত কার্যনির্বাহি পরিষদ ও সম্মানিত সাধারণ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যেভাবে আপনারা যুব সংসদ কে মানুষের মঙ্গলে নিয়োজিত রেখেছেন আর বেশিদিন নয় এই যুব সংসদ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই উত্তর বঙ্গে পেরিয়ে দেশের শ্রেষ্ঠ সংগঠনগুলোর কাতারে নাম লেখাবে। ইনশাল্লাহ্। যুব সংসদ নিয়ে আরও অনেক কিছু লিখার ছিল আগামিতে আরও লিখবো আজকের লিখায় যদি কোন ভুলত্রুটি থেকে থাকে তাহলে ক্ষমা করবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
লেখক, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক
মোঃ আব্দুল ওয়াফু তপু
ঠাকুরগাঁও রোড, ঠাকুরগাঁও।




No comments