Thakurgaon 24newspaper


হিমাগার না থাকায় নষ্ট হচ্ছে মৌসুমি ফল।

হিমাগার না থাকায় নষ্ট হচ্ছে মৌসুমি ফল।

খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা

পাহাড়ে হিমাগার না থাকায় প্রতিবছর নষ্ট হচ্ছে নানা রকমের মৌসুমি ফল,আহরণ সরক্ষণ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সঠিক বিপণনের অভাবে নষ্ট হয় মৌসুমি ফল,আর লোকসানের গুনতে হয় স্হানীয় কৃষককে, এতে তারা ফসল উৎপাদনের উৎসাহ হারিয়ে পেলছে। এই অবস্হায় সরকারী বা বেসরকারী উদ্যোক্তাদের এলাকায় অন্তত একটি হিমাগার স্হাপনের জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন এলাকার স্হানীয় কৃষকরা।কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে রামগড় সহ পাহাড়ের বিভিন্ন বাগানে এক সঙ্গে ফল পাকা শুরু করে পাকা ফল আহরন খুব ই কষ্ট কর তাই অনেকে ফল পাকার আগেই কম দামে বাগান বিক্রি করে দেয়, যারা বিক্রি করতে পারে না তাদের ফল অনেক সময় গাছে ই নষ্ট হয়,সংরক্ষণ ব্যাবস্হা না থাকায় কৃষক রা কষ্ট করে ফল আহরণের উৎসাও পাননা। বাগান মালিক তরুন ত্রিপুরা ভজন আসাম পতুল ত্রিপুরা জানান পাহাড়ে হাজার হাজার একর টিলা জুড়ে আম কাঁঠাল লিছু আনারস সহ প্রভৃতি ফলের বাগান রয়েছে এসব ফল সঠিক পদ্ধ্যতিতে সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণের মাধ্যমে সারাবছর ই ব্যবহার করা যায়, কিন্তু পাহাড়ে কোন হিমাগার না থাকাতে ফল পছে গলে নষ্ট হচ্ছে গরিব কৃষক কম দামে এই সব ফল বিক্রি করতে হচ্ছে, যে কারণে ন্যায্য মুল্য থেকে কৃষক বঞ্ছিত হচ্ছে ও বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে এলাকার কৃষকদের, এই বিষয়ে রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গভেষনার কেন্দ্রের কৃষিবিদ ড,মোহাম্দ জুলফিকার আলী ফিরুজ বলেন এই এলাকায় যে পরিমান মৌসুমি ফলের উৎপাদন হয় এতে জেম জেলি জুস সহ বিভিন্ন প্রকার আচারের কারখানা করা যায় অনায়াসে, কিন্তু পরিতাপের বিষয় এলাকায় এখনো এই ধরণের কারখানা গড়ে উঠেনি,কাঁঠাল আনারস আম লিছু সহ বিভিন্ন ফল প্রক্রিয়াজাত করে সারা বছর জুড়ে ই সংরক্ষণ সম্বব,এমন কি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানী করা যেত এসব সংরক্ষিত ফলের রস। অন্য দিকে কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন পাহাড়ি দুর্গম এলাকা থেকে চাষিরা কষ্ট করে এই সব ফল ফলাদী বাজারে নিয়ে আসলে ন্যার্য মুল্য পায় না, রয়েছে চাঁদাবাজের উৎপাত ও,বাজারে আনার সাথে সাথে দালাল খপ্পরে পড়তে হয় ও দালালদের দরাধরিতে ফলের রেট উটা নামা করে, সবাই একজোট হয়ে ফসলের দাম কমিয়ে দে এতে কৃষকরা বঞ্ছিত হচ্ছে ন্যার্য্য মুল্য থেকে, নিরুপাই হয়ে কৃষক তখন কম দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হয়, শুধু হিমাগার না থাকায় কৃষকরা এই দুর্ভোগে পোয়াতে হচ্ছে বলে জানা গেছে।

No comments

Theme images by mariusFM77. Powered by Blogger.