নেশার রাজত্ব ঠাকুরগাঁওয়ের রোড ভাউলারহাট মোড় সহ পৌর এলাকা
ঠাকুরগাঁও সদর প্রতিনিধি
মো আবুল হাসান
প্রথমে কৌতুহল পরে ধীরে ধীরে আসক্তি এখন মরণ নেশায় রোড এলাকার , ঠাকুরগাঁও রোড কলোনী, রেলওয়ে স্টেশন, ও ঠাকুরগাঁও রোড ভাউলারহাট মোড় সহ বেশ কিছু স্থানে।
কিছু নাম করা ও প্রভাবশালী ব্যাক্তি তরুনেরা অন্ধকার ঘনিয়ে না আসতেই এই সব স্থানে দলবেঁধে ‘ড্যান্ডি’ ও গাঁজার নেশায় বুধ হয়ে থাকে। মাদকের নীল নেশায় অন্ধকারের পথে হারিয়ে যাচ্ছে এসব তরুনেরা। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে এরা। গত কাল রাত ৭টা ৪৭ মিনিটে এমনি এক চিত্র দেখা যায় ৪-৫ জনের একটি দল বসে বসে নেশা করছে একটি বাগানে।
আমি প্রতিবাদ করতে গেলে তার প্রথমে মাথা নিচু করে থাকেন পরে বলেন আপনি প্রতিবাদের কথা বলছেন কাকে কি বলবেন যে খানে পুলিশ বাহিনীরা নিরব ভূমিকা পালন করে সেখানে আমার মতো একজন সাধারন মানুষ কি করবে কিছু বলতে গেলে ওরা বলো আমাকে চেনে আমি কে আমি অমুক নেতা আমি তমুক নেতা। ভালো কিছু বলতে গেলে অপমানিত হয়ে ফিরে আসতে হয় তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
ঠাকুরগাঁও রোড ১১ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের যুবলীগের ইউনিয়ন কমিটির সদস্য মোঃ মাসুদ রানা কাছে এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন - আজ প্রথম নয় প্রতিদিনই চোখে পড়ে এমন দূশ্য কিছু বলতে গেলে উলটো হুমকি শুনতে হয়।
মাসুদ রানা আরো বলেন, আমি একদিন বলছিলাম এটা খেলার মাঠ নেশা করার জায়গা নয়, তিনি আমাকে নেতার হুমকি দিচ্ছে তিনি নাকি দল করেন অমুক ভায়ের ছোট ভাই অমুক নেতার ভাজতা, আমাকে চিনিস, এই বলে আমাকে ভয় দেখায়। মাসুদ রানা বলেন, শুধু যে ঠাকুরগাঁও রোড ভাউলারহাট মোড় এলাকারই নেশা হয় তা নয় ঠাকুরগাঁওয়ের এমন বিভিন্ন জায়গায় নেশার আড্ডা বসে যেমন।
ঠাকুরগাঁও রোড এলাকার, ঠাকুরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন, রোড কলোনী, কাজীপাড়া মোড়, এমনি ঠাকুরগাঁও রোড ভাউলারহাট মোড় এগুলো জায়গায় বেশি নেশার আড্ডা বসে, মাসুদ রানা আরো অভিযোগ করে বলেন ঠাকুরগাঁও রোড এ গাঁজা ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন নেশাদ্রুব্য ব্রিক্রি হয়।
আমি ঠাকুরগাঁওয়ের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয় ও জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ঠাকুরগাঁও সদর প্রতিনিধি
মো আবুল হাসান
প্রথমে কৌতুহল পরে ধীরে ধীরে আসক্তি এখন মরণ নেশায় রোড এলাকার , ঠাকুরগাঁও রোড কলোনী, রেলওয়ে স্টেশন, ও ঠাকুরগাঁও রোড ভাউলারহাট মোড় সহ বেশ কিছু স্থানে।
কিছু নাম করা ও প্রভাবশালী ব্যাক্তি তরুনেরা অন্ধকার ঘনিয়ে না আসতেই এই সব স্থানে দলবেঁধে ‘ড্যান্ডি’ ও গাঁজার নেশায় বুধ হয়ে থাকে। মাদকের নীল নেশায় অন্ধকারের পথে হারিয়ে যাচ্ছে এসব তরুনেরা। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে এরা। গত কাল রাত ৭টা ৪৭ মিনিটে এমনি এক চিত্র দেখা যায় ৪-৫ জনের একটি দল বসে বসে নেশা করছে একটি বাগানে।
আমি প্রতিবাদ করতে গেলে তার প্রথমে মাথা নিচু করে থাকেন পরে বলেন আপনি প্রতিবাদের কথা বলছেন কাকে কি বলবেন যে খানে পুলিশ বাহিনীরা নিরব ভূমিকা পালন করে সেখানে আমার মতো একজন সাধারন মানুষ কি করবে কিছু বলতে গেলে ওরা বলো আমাকে চেনে আমি কে আমি অমুক নেতা আমি তমুক নেতা। ভালো কিছু বলতে গেলে অপমানিত হয়ে ফিরে আসতে হয় তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
ঠাকুরগাঁও রোড ১১ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের যুবলীগের ইউনিয়ন কমিটির সদস্য মোঃ মাসুদ রানা কাছে এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন - আজ প্রথম নয় প্রতিদিনই চোখে পড়ে এমন দূশ্য কিছু বলতে গেলে উলটো হুমকি শুনতে হয়।
মাসুদ রানা আরো বলেন, আমি একদিন বলছিলাম এটা খেলার মাঠ নেশা করার জায়গা নয়, তিনি আমাকে নেতার হুমকি দিচ্ছে তিনি নাকি দল করেন অমুক ভায়ের ছোট ভাই অমুক নেতার ভাজতা, আমাকে চিনিস, এই বলে আমাকে ভয় দেখায়। মাসুদ রানা বলেন, শুধু যে ঠাকুরগাঁও রোড ভাউলারহাট মোড় এলাকারই নেশা হয় তা নয় ঠাকুরগাঁওয়ের এমন বিভিন্ন জায়গায় নেশার আড্ডা বসে যেমন।
ঠাকুরগাঁও রোড এলাকার, ঠাকুরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন, রোড কলোনী, কাজীপাড়া মোড়, এমনি ঠাকুরগাঁও রোড ভাউলারহাট মোড় এগুলো জায়গায় বেশি নেশার আড্ডা বসে, মাসুদ রানা আরো অভিযোগ করে বলেন ঠাকুরগাঁও রোড এ গাঁজা ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন নেশাদ্রুব্য ব্রিক্রি হয়।
আমি ঠাকুরগাঁওয়ের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয় ও জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।



No comments:
Post a Comment